পটিয়া (চট্টগ্রাম) থেকে সেলিম চৌধুরী:-চট্টগ্রামের পটিয়ায় গত কয়েকদিনে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলো। গত এক সপ্তাহ ধরে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে এসব নিম্নাঞ্চলে পানি জমে মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। এছাড়া পটিয়া পৌর সদর ৫ নং ওয়ার্ড ঈদুল মল্ল পাড়ার মাওলানা হাজীর বাড়ির ৬ টি মাটির বসতঘর ধসে পড়ে ঘরে বিভিন্ন আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে আনুমানিক ১০ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয় বলে সংশ্লিষ্ট সুএে জানাগেছে।
সুএে জানায় গত ২৬ আগষ্ট দিনে ভারি বর্ষায় পটিয়া পৌরসভা ৫ নং ওয়ার্ড ইদুল মল্ল পাড়ার মাওলানা হাজীর বাড়ির মোহাম্মদ মাহবু, মোহাম্মদ আলম, মোহাম্মদ রফিক মিয়া, মোহাম্মদ নেছার, মোহাম্মদ আবছার, মোহাম্মদ মফিজ এর মাটির বসতঘর ধসে পড়ে ঘরে বিভিন্ন সামাজিক নষ্ট হয়ে যায়। বর্তমানে এ ৬টি পরিবার খোলা আকাশের নিছে ও ভাড়া বাসায় থাকছেন বলে ভুক্তভোগী মাহবুল আলম জানান। তিনি এব্যাপারে প্রশাসন ও এলাকার বিত্তশালীদের
মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহবান জানান।
এছাড়াও গত কয়েকদিনে কৃষি জমির বীজ তলা এবং পুকুর ডুবে গিয়ে লাখ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খেটে খাওয়া মানুষগুলো। গত এক সপ্তাহের ভারী বৃষ্টিতে কর্মহীন হয়ে পড়েছে রিক্সা শ্রমিক, সিএনজি অটোরিক্সা চালক, বিভিন্ন পেশার দিনমজুরসহ শত শত মানুষ। এসব শ্রমিকরা তাদের প্রতিদিনের পরিবারের খরচ যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে।খবর নিয়ে জানা যায়, উপজেলার ছনহরা, ভাটিখাইন আশিয়া, কাশিয়াইশ, কুসুমপুরা, কোলাগাঁও, ভাটিখাইন, জিরি, শোভনদণ্ডী, ধলঘাট, বড়লিয়া ও জঙ্গলখাইনসহ পৌরসভার বিভিন্ন নিচু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে নিম্নাঞ্চলের মানুষগুলো। কৃষি কর্মকর্তা কল্পনা রহমান জানান
ভারি বর্ষায় অনেক কৃষি জমির চাষাবাদ, বীজ তলা এবং বাড়ি ঘর ধসে পড়ার খবর পেয়েছি। এসব বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে
সার্বিক সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান।
All rights reserved © 2020 paharechok.com||
এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি